কবিতার আসর লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
কবিতার আসর লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

সোমবার, ৫ আগস্ট, ২০১৯

রিয়াজউদ্দিন মুন্নার কবিতা- "আমার ঠাই। "

রিয়াজউদ্দিন মুন্নার কবিতা- "আমার ঠাই। "

' আমার ঠাই'

ভালবেসে ভিখারি হয়েছিলাম
নতজানু হয়েছিলাম আবেগে
আর তুমি কি বলেছিলে?
'এটুকুর ই বুঝি বাকি ছিল' ।

আমার ভালবাসি বলাটা মেসেঞ্জারের ইমোজির মতো সস্তা ছিল না।
অনেক নির্ঘম রাত্রির ক্রন্দনে বলতে বাধ্য হয়েছিলাম।
তুমি ও একদিন আমার ভালবাসার মূল্য বুঝবে।
সেদিন নির্ঘুম রাত্রি গুলো তোমার হয়ে যাবে;
সব অবহেলা দ্বিগুণ হয়ে ফিরে আসবে তোমার কাছে।

মৃত্তিকার স্তুপকে প্রতিমা সাজিয়ে পূজো দিতে চেয়েছিলাম,
সে কোমল তবু নমনীয় হল না।
রজনীগন্ধাকে চেয়ে ছিলাম গন্ধ ছড়াতে;
সে রজনীর অপেক্ষা করল না।

আমি নিঃসঙ্গ পথিক
শুধু এতটুকুই আছে আফসোসের সীমারেখায়;
কোথাও আমার হয়নিকো ঠাই
রজনীগন্ধা বা মৃত্তিকায়।

শুক্রবার, ২২ এপ্রিল, ২০১৬

রিকশাওয়ালা......

রিকশাওয়ালা......

তোরা তারে তুই বলিস না
ভাড়া নিয়ে কান মলিস না তোরা তারে তুই বলিস না
ভাড়া নিয়ে কান মলিস না
দল বেঁধে রিকশায় উঠিস না
হই হুল্লোড় মজা লুটিস না।

দেখ্ তোদের বাপের বয়সি
পারতো হতে সুখ আয়েশি
বের হয় যখন ভোর উষসী
এই বয়সে সে সাহসী।

রোদ্দুর বৃষ্টি ঝঞ্জা ঝড়ে
বসে থাকে না সে ঘরে
ভিটে মাটি ভাসল বানে
পেটের দায়ে রিকশা টানে।

বিন্দু বিন্দু ঘামের রোজগার
কেউ কি নেয় বল্ কোনো খোঁজ তার!
বয়সের ভারে নুয়েছে
ক্লান্তি যে তাকে ছুঁয়েছে।

তার চোখেতে তাকিয়ে দেখ্
চোখের কোণেতে অশ্রু লেক্
জীবন চলে শ্রম বিনিময়ে
কষ্ট প্রহর গ্লানিময়ে...

চাকা ঘুরে .. হায়! বঞ্চনা
ভাড়া নিয়ে সয় লাঞ্ছনা
শ্রম বেচে.. হয় দিনাতি-পাত
কেউতো বাড়ায় না বন্ধুর হাত।

তোদের আসবে সময় এমন
লাগবে তোদের বলতো কেমন
ক্লান্ত দেহের পরিশ্রমী
পায়ের নিচে নেইতো জমি...

কি করে পার করবে জীবন
দু চোখে তার ঝরে প্লাবন
অসহায়ত্বের হাত ধরে
সুখের বেলা যে যায় ঝরে...

অলি গলি রাস্তায় রাস্তায়
জীবন কেটে গেলো সস্তায়
রিকশাওয়ালা হলো সে
ব্যস্ত কষ্টের জীবন চাষে।

চলো মিলে ভালবাসি
ওদের মুখে আনি হাসি
একটু ভালবাসা দিয়ে
পাশে তাদের দাঁড়াই গিয়ে।

ভালো ব্যবহারে মন জয়
এতে সম্মানের হয় না ক্ষয়।
নরম সুরে বলে কথা
দূর করি তার মনের ব্যথা।
দল বেঁধে রিকশায় উঠিস না
হই হুল্লোড় মজা লুটিস না।

দেখ্ তোদের বাপের বয়সি
পারতো হতে সুখ আয়েশি
বের হয় যখন ভোর উষসী
এই বয়সে সে সাহসী।

রোদ্দুর বৃষ্টি ঝঞ্জা ঝড়ে
বসে থাকে না সে ঘরে
ভিটে মাটি ভাসল বানে
পেটের দায়ে রিকশা টানে।

বিন্দু বিন্দু ঘামের রোজগার
কেউ কি নেয় বল্ কোনো খোঁজ তার!
বয়সের ভারে নুয়েছে
ক্লান্তি যে তাকে ছুঁয়েছে।

তার চোখেতে তাকিয়ে দেখ্
চোখের কোণেতে অশ্রু লেক্
জীবন চলে শ্রম বিনিময়ে
কষ্ট প্রহর গ্লানিময়ে...

চাকা ঘুরে .. হায়! বঞ্চনা
ভাড়া নিয়ে সয় লাঞ্ছনা
শ্রম বেচে.. হয় দিনাতি-পাত
কেউতো বাড়ায় না বন্ধুর হাত।

তোদের আসবে সময় এমন
লাগবে তোদের বলতো কেমন
ক্লান্ত দেহের পরিশ্রমী
পায়ের নিচে নেইতো জমি...

কি করে পার করবে জীবন
দু চোখে তার ঝরে প্লাবন
অসহায়ত্বের হাত ধরে
সুখের বেলা যে যায় ঝরে...

অলি গলি রাস্তায় রাস্তায়
জীবন কেটে গেলো সস্তায়
রিকশাওয়ালা হলো সে
ব্যস্ত কষ্টের জীবন চাষে।

চলো মিলে ভালবাসি
ওদের মুখে আনি হাসি
একটু ভালবাসা দিয়ে
পাশে তাদের দাঁড়াই গিয়ে।

ভালো ব্যবহারে মন জয়
এতে সম্মানের হয় না ক্ষয়।
নরম সুরে বলে কথা
দূর করি তার মনের ব্যথা।

শুক্রবার, ৮ এপ্রিল, ২০১৬

দুর্জয় আশরাফুল ইসলামের কবতা সমগ্র

দুর্জয় আশরাফুল ইসলামের কবতা সমগ্র

১.
দৃশ্যের অন্তরালেও বাজে বিরহী দিনের সুর
যারা আসে খড়গ হাতে শান্ত নদীর পাশে
দিয়ে যায় ঘুমন্ত হাওয়ার বুকে বন্য গর্জন,
লোলুপ প্রতিহিংসার আড়ালে তাদেরও -
ছিলো কি খন্ডিত অনাবাদী মন? সব আজ
পাথর হয়েছে, যেন ছায়ার প্রতি বিমুখতা -
প্রান্তর তলে নিদ্রা গেছে দ্বৈতগীতের রণ।
একবার যেন কেঁপে উঠে সব দূর বাঁশরী
পাহাড়ের স্তব্দতা থেকে বেরোয় আহ্বান
যেন মেঘের সাঁকো মিলায়ে আসে সবুজ
সব ভুল সব রক্তচক্ষু পরিগণিত অবুঝ !

২.
নাগরিক সন্ধ্যেবেলায় হু হু করে বৃষ্টি এলে -
আটকে পড়ে ঘরে ফেরার আকুতিপ্রবণ মানুষ
তাদের জড়োসড়ো চোখ ধরে নামে ঘন রাত্রি।
অকাল বর্ষাতে থেমে যায় কল্পিত যৌথ উৎসব।
তুমি কি শুনেছো তৎকালে উড়ন্ত সন্ত্রস্ত ভাষা -
উত্তরিত ডানার নিচে চাপা পড়েছে আরো মানুষ
যাদের সমস্ত আকুতি স্বপ্নঘোর একেবারে গেলে
বারবার দুলে উঠে বোকাবাক্সের রং পেন্সিল,
আর ফাটা রেকর্ড অবিরত শোনায় উন্নয়ন তর্ক।

৩.
পাথরের মুখ থেকে বৃষ্টিঝর্ণা এনে আমি সমস্ত উঠোন ছড়িয়ে রাখি
আর ভাবি, ওই বুঝি বৃষ্টিজলে মুখ ধরে তার,
যেন ওই মুখ দেখবে বলে শতবর্ষী ঘর নিজেও খুলে বসে দরোজা
আমি দরজার পাশ ঘেষে, প্রতীক্ষা পুরাণের মুখোমুখি
ঝনঝন করে উঠে ঘর গ্রন্থি, আমাদের ভাষা হারিয়েছে যদিও -
ভালোবাসা, অকাল বৃষ্টির মতো বহ্নিমান সমস্ত শিরদাঁড়া ধরে যার
কোনদিন কি জেনেছে, প্রতীক্ষা ক্রমশ দেহাতি নদীর বুকে শিল্প করে
সন্তর্পন মধ্যরাতে কান্না করে, আকাশ শূন্যে লিখে অবিরত সে নাম।

৪.
সমস্ত বঞ্চনার শেষে গোপনীয়তা নির্ঝঞ্চাট বসে
রাখে সমগোত্রীয় হাত, আকুতি সব নিপাত যাক
সমস্ত শরীর ঠান্ডা পারদ, মুখাবয়বে রক্ত রঙ,
আহা অসংগতি, আহা অনুত্তেজক বরণ -
এইখানে শুরু হলো পতঙ্গের জীবনাচরণ শাদা
ফিরে যাবো অনুল্লাসে আহত জ্যোৎস্নার রাতে
আদিম দেবদারুর বনে, স্তব্ধ বর্ণে চিরদিন একা।

 পড়ে রবে অছন্দ কিছু অন্তমিলহীন কাগজ পাতা
কীটদংশে শুকিয়েছে সেও, পুষ্পিত গন্ধ উর্ধ্বে রাখা..

৫.
শাণিত প্রতিবাদ কন্ঠে দুর্বার এই দেশ কতবার হয়েছে
নৈমত্তিক সূর্যাস্তের নিচে তার নির্ঘন্ট আমরা রাখিনি।
আমরা কেবল আশাবাদের কবিতায় ভরিয়েছি আকাশ,
ছা-পোষা দিনের শেষে দাঁড়িয়ে মেলে ধরেছি দু হাত,
শব্দ তুলোর বেড়াজাল এমনি ছড়াবে বলেছি বারবার।
তারপর প্রতিবার সন্ধ্যা ফুরায়, ফিরে আসে অমোঘ রাত,
আমরা ভাবিনি কেন এত অন্ধকার, জোনাকিদের অসুখ
কিংবা হাতকড়া পরে তারা করছে কি কারাগার বাস?
আমরা ঘুমোই, কেবলই ঘুমোই, অলীক স্বপ্নের ভিড়ে
যতক্ষণ না হারাচ্ছে বিগত প্রতিবাদের সুবাস!
এইভাবে আমরা স্বপ্নভূক নতুন বিলাসী, সদা কন্ঠস্বর
এইভাবে আমরা স্মৃতি অতিক্রান্ত করি, কার্বলিকের পর।

রবিবার, ২০ মার্চ, ২০১৬

কবিতা - "শেষ উপায়"

কবিতা - "শেষ উপায়"

 ছন্দ মাত্রাবৃত্ত কবিতা - "শেষ উপায়"
লিখেছেন: মো: জাবেদ আলী


বিপদে মানুষ যদি পথ নাহি পায়,
চারিদিকে হয়ে পড়ে বড় অসহায় ।
সাপ বিছা পদে পদে পালাবে কোথায়,
নৈরাশ্য ঝেড়ে ফেলে সাহসে দাঁড়ায়,
খপ করে ধরে ফেলে খুনি তলোয়ার,
সব ভুলে হয়ে ওঠে পাকা খেলোয়ার ।
মুখে যাহা,আসে যদি তাহা বলে থাকে,
নিরাশা করেছে ভর সেই লোকটাকে ।
      "চৈত্র" - কবিতা

"চৈত্র" - কবিতা


"চৈত্র"
 লিখেছেন: মো: জাবেদ আলী




বিদায় নিল ঠাণ্ডা শৈত্য,
--------------এবার এলো গরম চৈত্র ।
আবহাওয়াটা গরম খুব,
-------------ম'লেম জ্বলে একটু চুপ ।
কিসের লাজ কিসের শরম,
-----------কাপড় খোল ওহ কি গরম ।
পুকুর ডোবা বিলের জল,
--------------------শুষছে মাটি অনর্গল ।
গরম হাওয়া মারছে তীর,
---------------বাবুই -চড়ুই বাঁধছে নীড় ।
দখিনা বাতাস দেয় দোল,
-----------খায় সে বাতাস আমের বোল ।
ফুলের ফলের সবুজ দেশ,
------------ঠাণ্ডা হাওয়ার নেই তো লেশ।
নদীর বুকে জাগে চর,
--------------------আশায় যারা বাঁধে ঘর ।
মাঝে মাঝে ভয়াল ঝড়,
-------------------ভেঙে ফেলে সাধের ঘর ।