ক্যাম্পাস লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
ক্যাম্পাস লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

শুক্রবার, ২৯ জানুয়ারি, ২০২১

করোনাকালীন বেতন ফি মওকুফ দাবি: মতবিনিময়ে ছাত্র-শিক্ষক অভিভাবক

করোনাকালীন বেতন ফি মওকুফ দাবি: মতবিনিময়ে ছাত্র-শিক্ষক অভিভাবক






করোনার কারণে গেলো বছরের মার্চ থেকে বন্ধ রয়েছে দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। দীর্ঘ সময় ধরে সরাসরি পাঠ কার্যক্রম না চলায় দেশে সার্বিক শিক্ষা নিয়ে নানা ধরনের সংকট তৈরি হয়েছে। করোনাকালে শিক্ষা ব্যবস্থার সামগ্রিক অবস্থা তুলে ধরতে ছাত্র-শিক্ষক অভিভাবক মতবিনিময় সভার আয়োজন করে বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়ন। 

"করোনা মহামারীর সময় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের বেতন-ফি মওকুফ, শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের অগ্রাধিকার ভিত্তিতে করোনার ভ্যাক্সিন প্রদানসহ ৮ দফা দাবি" শীর্ষক মতবিনিময় সভায় বিভিন্ন স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র, শিক্ষক, অভিভাবক ও বিভিন্ন ছাত্র সংগঠনের নেতাকর্মীরা তাদের মতামত তুলে ধরেন।

আলোচনায় সংগঠনটির পক্ষ থেকে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়ার রোডম্যাপ ঘোষণা করা,  শিক্ষার আর্থিক দায়িত্ব রাষ্ট্রকে নেওয়ার দাবি করেন বক্তারা।

শুক্রবার (২৯ জানুয়ারি) বিকেলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্রের তৃতীয় তলায় এই মতবিনিময় সভার আয়োজন করা হয়। 

 সংগঠনটির কেন্দ্রীয় সংসদের সভাপতি ফয়েজ উল্লাহ'র সভাপতিত্বে মতবিনিময় সভা সঞ্চালনা করেন সংগঠনটির সাধারণ সম্পাদক দীপক শীল। 

জাতীয় প্রেসক্লাবের সদস্য গণমাধ্যমকর্মী রহমান মোস্তাফিজ বলেন," করোনার সময়ে দেখেছি শিক্ষকরা অনলাইনে ক্লাস নিতে অভ্যস্ত হয়। কিন্তু শিক্ষার্থীদের উপর অনলাইন ক্লাস চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে। সরকার শিক্ষার্থীদের সুবিধা দিবে বলে প্রতিশ্রুতি দিলেও তা বাস্তবায়ন করা হয়নি। হাইকোর্টের রায় অমান্য করা হয়েছে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো লাভজনক ব্যবসায় প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছে।"

প্রথম আলোর সহ-সম্পাদক সোহরাব হাসান বলেন, "শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অভিভাবক, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো করোনার সময় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। কিন্তু সরকার এ ব্যাপারে কোন পদক্ষেপ গ্রহণ করে নাই। স্বাধীনতার এতো বছর পরেও শিক্ষাধারার কোন পরিবর্তন হয় নাই। বারবার শিক্ষানীতি ঘোষণা করা হলেও তা বাস্তবায়ন করা হয় নাই। দেশের সকল শিক্ষার্থীকে যুক্ত করে ছাত্রদের যৌক্তিক দাবি আদায় করে নিতে হবে।"

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক অধ্যাপক ডা. এসএম ফজলুর রহমান বলেন, "করোনার মহামারী ভেতর দেশের বহু মানুষ দারিদ্র্যসীমার নিচে নেমে গেছে। শিফট করে স্বাস্থ্যবিধি মেনে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ক্লাস শুরু করা প্রয়োজন। সকল বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান খুলে দিলেও ছাত্র আন্দোলনের ভয়ে সরকার এখনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দিচ্ছে না। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে গণতান্ত্রিক পরিবেশ ফিরিয়ে আনা দরকার।"

ছাত্র ইউনিয়নের সভাপতি ফয়েজ উল্লাহ বলেন, "বেতন-ফি মওকুফসহ ৮ দফা দাবিসহ শিক্ষার সংকট নিয়ে ছাত্র ইউনিয়ন তার আন্দোলন চালিয়ে যাবে। সকল শিক্ষার্থীকে যুক্ত করে ছাত্র ইউনিয়ন তার লড়াই সংগ্রামকে এগিয়ে নিয়ে যাবে।"

এছাড়াও বক্তব্য রাখেন, ছাত্র ইউনিয়নের সাবেক সভাপতি রুহিন হোসেন প্রিন্স, সাবেক সভাপতি হাসান হাফিজুর রহমান সোহেল, সাবেক সভাপতি ও অভিভাবক ফেরদৌস আহমেদ উজ্জ্বল, বাংলাদেশ কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির সাংগঠনিক সম্পাদক অধ্যক্ষ আকমল হোসেন, প্রেসিডিয়াম সদস্য অধ্যাপক তনুজ কান্তি দে, প্রকৌশলী আল্লামা আল-রাজি, সাবেক ছাত্রনেতা ও অভিভাবক মোস্তাক হোসেন, ছাত্রমৈত্রীর সভাপতি মোতাহার হোসেন জুয়েল, সমাজতান্ত্রিক ছাত্রফ্রন্টের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সাধারণ সম্পাদক রাজীব কান্তি প্রমুখ। 

শিক্ষার্থীদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন ভিকারুননিসা স্কুল এন্ড কলেজের দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী মৈত্রী ক্যাডেট, উইলস লিটল ফ্লাওয়ার স্কুল এন্ড কলেজের একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী শ্রুতি জ্যাকলিন রোজারিও, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী সজীব সর্দার, বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী মুক্ত রেজোয়ান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত সাত কলেজের শিক্ষার্থী জুবাইর হোসাইন সজল, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী অঞ্জন রায় গোস্বামী, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী প্রত্যয় নাফাক, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী মাহির শাহরিয়ার রেজা প্রমুখ৷ 

মতবিনিময় সভায় সংহতি জানান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক এমএম আকাশ, গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক কাবেরী গায়েন, অধ্যাপক রুবাইয়াত ফেরদৌস।

মতবিনিময় সভায় ৮ দফা দাবিতে সংহতি জানিয়ে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পুষ্টি ও খাদ্যবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষক ড. আব্দুজ জাহের, বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়নের সাবেক সভাপতি লুনা নূর, মানবেন্দ্র দেব, সাবেক সহ-সভাপতি মোতালেব হোসেন, যুব ইউনিয়নের সভাপতি হাফিজ আদনান রিয়াদ, সাধারণ সম্পাদক খান আসাদুজ্জামান মাসুমসহ প্রমুখ। 


ছাত্র ইউনিয়নের ৮ দফা:


(১) করােনাকালীন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বেতন ফি মওকুফ করতে হবে। এসাইনমেন্টের নামে আদায়কৃত ফি ফেরত দিতে হবে।


(২) নামে-বেনামে ফি আদায়কারী প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।


(৩) বিশেষজ্ঞদের মতামত নিয়ে স্বাস্থ্যবিধি মেনে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেয়ার রােডম্যাপ ঘােষণা করতে হবে। 


(৪) সেশনজট রােধে দ্রুত এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের ফল প্রকাশ করতে হবে। সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সেশনজট রােধে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে।


(৫) পাঠ্যপুস্তকে সাম্প্রদায়িকীকরণ বন্ধ করতে হবে। 


(৬) শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলােতে আবাসিক হল খুলে দিয়ে, আবাসনের ব্যবস্থা করে পরীক্ষা নিতে হবে। অছাত্র-সন্ত্রাসীদের হল থেকে বিতাড়ন করতে হবে। 


(৭) সকল পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে বাণিজ্যিক কোর্স বন্ধ করতে হবে।


(৮) অগ্রাধিকারভিত্তিতে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের বিনামূল্যে ভ্যাক্সিন দিতে হবে।



বুধবার, ২০ জানুয়ারি, ২০২১

শহীদ আসাদের স্মরণে ঢাবিতে পাঠাগার উদ্বোধন

শহীদ আসাদের স্মরণে ঢাবিতে পাঠাগার উদ্বোধন



৬৯ এর গণঅভ্যুত্থানে আত্মোৎসর্গকারী আসাদের শহীদ হওয়ার দিনকে স্মরণীয় করে রাখতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্ হলে "শহীদ আসাদ পাঠাগার" উদ্বোধন করা হয়েছে। 

বুধবার (২০ জানুয়ারি) বিকাল ০৩:০০ টায় নবনির্মিত এ পাঠাগারটি উদ্বোধন করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) ড. মাকসুদ কামাল। 

১৯৬৯ সালের ২০ই জানুয়ারী পাকিস্তানি স্বৈরশাসকের বিরুদ্ধে বাংলার ছাত্র সমাজের ১১দফা দাবির মিছিলে নেতৃত্ব দিতে গিয়ে পুলিশের গুলিতে শহীদ হন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী আসাদ। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শহিদুল্লাহ হলের আবাসিক শিক্ষার্থী ছিলেন। 

উদ্বোধনকালে উপ-উপাচার্য বলেন, আসাদ নিজের প্রাণ বিসর্জন দিয়ে আমাদের মুক্তির আন্দোলনকে অনেকদূর এগিয়ে নিয়ে গিয়েছিল। এমন একজন ব্যক্তির স্মরণে পাঠাগার স্থাপনকে সাধুবাদ জানান তিনি। 

আসাদের আন্দোলনের কথা স্মরণ করে তিনি বলেন, আসাদ ছিলেন নসত্তরের টার্নিং পয়েন্ট৷ ৫ টি মামলা মাথায় নিয়েও এতটুকু বিচলিত হননি তিনি। একটি জাতিরাষ্ট্র উপহার দেয়ার জন্য বঙ্গবন্ধুর আন্দোলনের সাথে একাত্মতা পোষণ করে তিনি নিজের মৃত্যুকে আলিঙ্গন করেছিলেন। এটি হচ্ছে বীরের মৃত্যু। এই মৃত্যু সফলতার আসন। হয়তো অল্প বয়সে তিনি পৃথিবী থেকে বিদায় নিয়েছেন কিন্তু ইতিহাস যতদিন লিপিবদ্ধ থাকবে ততদিন আসাদের নাম থাকবে। 

সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিন সাদেকা হালিম বলেন, আসাদ বর্তমান ছাত্রদের জন্য অনুকরণীয় আদর্শ। পাঠাগারটি শিক্ষার্থীদের জ্ঞান- বিজ্ঞান ও ইতিহাস চর্চার কেন্দ্র হিসেবে গড়ে উঠবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন তিনি। 

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন শহীদ আসাদের ছোট ভাই ডা. নুরুজ্জামান হক। তিনি ভাইয়ের স্মৃতিচারণ করে বলেন, আমার ভাই এই হলে( ড. মুহম্মদ শহিদুল্লাহ হল) অর্ধ যুগ ছিলেন। আসাদ ভাই সেদিন নিজেকে ও তার পরিবারকে উপেক্ষা করে নিজ প্রাণ বিসর্জন দিয়েছিল। ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানে সেরা দশজন অগ্রনায়কের মাধ্যে আসাদ ছিলেন একজন।


এছাড়াও অনুষ্ঠানে উপস্থিত থেকে বক্তব্য প্রদান করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক নিজামুল হক ভূইয়া, 
ফজলুল হক মুসলিম হলের প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক শাহ্ মো. মাসুম এবং ডাকসুর হল সংসদের সাবেক নেতৃবৃন্দ।

উক্ত অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ত্ব করেন অত্র হলের প্রাধ্যক্ষ ড. সৈয়দ হুমায়ুন আখতার। ১২০ আসন বিশিষ্ট এ পাঠাগারটি শিক্ষার্থীদের ইতিহাস চর্চায় সহায়ক ভূমিকা পালন করবে বলে মনে করছেন শহীদুল হল ছাত্র সংসদের সাবেক নেতৃবৃন্দ। এছাড়াও এটি শিক্ষার্থীদের পাঠাগার সংকট অনেকাংশে কমিয়ে আনবে বলে মনে করছেন তারা।
শতবর্ষ উপলক্ষে ঢাবিতে আগামীকাল থেকে আন্তর্জাতিক কনফারেন্স, উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী

শতবর্ষ উপলক্ষে ঢাবিতে আগামীকাল থেকে আন্তর্জাতিক কনফারেন্স, উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শতবর্ষ উপলক্ষে আন্তর্জাতিক কনফারেন্স

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শতবর্ষপূর্তি উপলক্ষ্যে ‘Celebrating the 100 Years of the University of Dhaka: Reflections from the Alumni— International and National’ শীর্ষক এক আন্তর্জাতিক সম্মেলনের উদ্যোগ হাতে নিয়েছে। 

আগামীকাল  বৃহস্পতিবার (২১ জানুয়ারি) সন্ধ্যা ৬ টায় ভার্চুয়ালী যুক্ত হয়ে সম্মেলনটির উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

বুধবার (২০ জানুয়ারি) সকাল সাড়ে এগারটায় উপাচার্য অফিস সংলগ্ন অধ্যাপক আব্দুল মতিন চৌধুরী ভার্চুয়াল ক্লাসরুমে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে একথা জানান বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান। 

সংবাদ সম্মেলনে উপাচার্য আখতারুজ্জামান বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শতবর্ষ উপলক্ষে আমরা নানা উদ্যোগ হাতে নিয়েছি। এর অংশ হিসেবে আমরা প্রথমদিকে ৬ টি ইন্টারন্যাশনাল কন্টারন্যাশনাল কনফারেন্সের আয়োজন করবো। যেটি আগামীকাল সন্ধ্যা ছয়টায় মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে উদ্বোধন করবেন। 

ঢাবি উপাচার্য জানান, কনফারেন্সটির প্রথম ওয়েবিনার অনুষ্ঠিত হবে ২২ ডিসেম্বর। যার শিরোনাম- "History of the university of Dhaka & Higher Education in Bangladesh। এর দ্বিতীয় কনফারেন্সটি হবে ফেব্রুয়ারিতে৷ যার শিরোনাম- "Sciences for society।"  পরবর্তী জুন মাস পর্যন্ত প্রতি মাসে একটি করে ওয়েবিনার অনুষ্ঠিত হবে৷  কনফারেন্সের সার্বিক ব্যবস্থানায় থাকবেন অধ্যাপক ড. ইমতিয়াজ আহমেদ।

 উদ্বোধন অনুষ্ঠানে  কি-নোট স্পিকার হিসেবে থাকবেন অর্থনীতিবিদ অধ্যাপক ড. রেহমান সোবহান, বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দিপু মনি। এছাড়াও ঢাবির সিন্ডিকেট সদস্য, ডিন, প্রোভোস্ট এবং বিভিন্ন বিভাগের চেয়ারম্যানবৃন্দ অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকার কথা বলা হয়েছে।

সোমবার, ১৮ জানুয়ারি, ২০২১

শাহবাগে চার দফা দাফিতে পলিটেকনিক শিক্ষার্থীদের মানববন্ধন

শাহবাগে চার দফা দাফিতে পলিটেকনিক শিক্ষার্থীদের মানববন্ধন

 


চার দফা দাবিতে শাহবাগে পলিটেকনিক শিক্ষার্থীদের মানববন্ধ। ছবি: ইমদাদুল আজাদ 


ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারিং শিক্ষাক্রমে সেশনজট নিরসনসহ ৪ দফা দাবিতে ঢাকায়  মানববন্ধন করেছে পলিটেকনিক শিক্ষার্থীরা। এছাড়া তাদের একই দাবিতে শিক্ষামন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপি দেয়ার কথা রয়েছে। 

সোমবার (১৮ জানুয়ারি) সকালে রাজধানীর শাহবাগ চত্বরে জাতীয় জাদুঘরের সামনে দেশের সরকারি বেসরকারি সব পলিটেকনিকের শিক্ষার্থীদের ব্যানারে এ মানববন্ধনের আ‌য়োজন করা হয়।

কুড়িগ্রাম পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের শিক্ষার্থী  শিক্ষার্থী মেহেদি হাসান লিমনের সভাপতিত্বে মানববন্ধনে বক্তব্য দেন পলিটেকনিক শিক্ষার্থী সাকী, ইমাম হোসেন জয়, তানভির হাসান, জাবাল মিয়া প্রমুখ। 

আন্দোলনে অংশ নেয়া ন্যাশনাল পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের শিক্ষার্থী জাবাল মিয়া অটোপাশ দেয়ার দাবি জানিয়ে বলেন, কোনোরকম ক্লাস, প্র্যাকটিকাল ছাড়া এখন আমাদের সম্পূর্ণ সিলেবাসে পরীক্ষা নেয়ার কথা বলা হচ্ছে। ক্লাস পরীক্ষা ছাড়া এই মুহূর্তে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করলে আমরা সব বিষয়ে অকৃতকার্য হবো। সেশনজট নিরসনে  আমাদের অটোপাশ দিতে হবে। 

আন্দোলনকারীদের মুখপাত্র মেহেদী হাসান লিমন বলেন, আমাদের যে ৪ দফা দাবি সেটি বাস্তবায়ন হওয়া পর্যন্ত এ আন্দোলন অব্যাহত থাকবে। দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত দেশের কোনো পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের শিক্ষার্থী পরীক্ষায় বসবে না।

আন্দোলনে অংশ নেয়া ইমাম হোসেন জয় বলেন, অধিকাংশ পলিটেকনিক শিক্ষার্থী মধ্যবিত্ত। শিক্ষা কার্যক্রম বন্ধ থাকলেও অধিকাংশ বেসরকারি ইনস্টিটিউট সেটা বিবেচনায় নিচ্ছে না। তারা অধিকন্তু অতিরিক্ত ফি শিক্ষার্থীদের উপর চাপিয়ে দিচ্ছে। 

সম্প্রতি ৮ জানুয়ারি কারিগরি শিক্ষা বোর্ড প্রকাশিত এক নোটিশের মাধ্যমে পলিটেকনিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পরীক্ষা নেয়ার সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে ১৭ জানুয়ারির মধ্যে ফরম ফিলাপ করে ১৯ ফেব্রুয়ারির মধ্যে পরীক্ষার তারিখ নির্ধারণ করা হয়। কোনোরকম ক্লাস, প্র্যাকটিকাল ছাড়া পরীক্ষা গ্রহণের এমন সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আন্দোলনে নেমেছেন শিক্ষার্থীরা। আন্দোলনের অংশ হিসেবে আগামীকাল সারাদেশের পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটগুলার সামনে ছাত্র সমাবেশের ডাক দিয়েছে তারা। দাবি আদায় না হলে আগামী ২১ জানুয়ারি আগারগাঁওস্থ কারিগরি শিক্ষা বোর্ড ঘেরাও করাও ঘোষণা দেন আন্দোলনকারীরা৷ 


তাদের দাবিসমূহের মধ্যে রয়েছেঃ

১। এক বছরের সেশনজট পূরণ করতে হবে

২। ১ম, ৩য়, ৫ম ও ৭ম পর্বের ক্লাস চালু করে শর্ট সিলেবাসে পরীক্ষা নিতে হবে

৩। সকল অতিরিক্ত ফি এবং প্রাইভেট পলিটেকনিকে সেমিস্টার ফি অর্ধেক করো। 

৪। ২০২১ সালের মধ্যে ডুয়েটসহ অন্যান্য সকল প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে আসন সংখ্যা বৃদ্ধি করো 





রবিবার, ১৭ জানুয়ারি, ২০২১

রাঙামাটির মনির হোসেনের স্মরণে ঢাবিতে শোক র্যালী

রাঙামাটির মনির হোসেনের স্মরণে ঢাবিতে শোক র্যালী

রাঙামাটির মনির হোসেনের স্মরণে ঢাবিতে শোক র্যালী। ছবি: ইমদাদুল আজাদ
২০১৫ সলের জানুয়ারিতে রাঙ্গামাটি মেডিকেল কলেজের উদ্বোধনী র্যালীতে সন্ত্রাসীদের হামলায় নিহত যুবলীগ কর্মী মনির হোসেনের স্মরণে  মানববন্ধন ও শোক র্যালি করেছে ঢাকাস্থ পার্বত্য চট্টগ্রাম ছাত্র সংসদ। 

রবিবার (১৭ জানুয়ারি) দুপুরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সন্ত্রাসবিরোধী রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়৷ মানববন্ধন শেষে তার স্মরণে শোক র্যালী করেন সংগঠনটির নেতাকর্মীরা। 

মানববন্ধনে ঢাকাস্থ পার্বত্য চট্টগ্রাম জেলা ছাত্র সংসদের সভাপতি মিনহাজ মুর্শিদ বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রামে শিক্ষা বিস্তারের কর্মসূচি বাংলাদেশ সরকার যখনই হাতে নেয় তখনই একটা গােষ্ঠী বাধা হয়ে দাড়ায়। এই বাধা শুধু শিক্ষার ক্ষেত্রে নয়, সড়ক যােগাযােগ, পর্যটন শিল্পের বিকাশ ও সামাজিক অগ্রগতি সব স্কেত্রেই বাধা দান করে এই গােষ্ঠী। 

তিনি বলেন, রাঙামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার সময়ও তারা বাধা দিয়েছিল। ওই অঞ্চলের মানুষকে আধুনিকতা ও শিক্ষার আলাে খেকে বঞ্চিত করে তাদের দমিয়ে রেখে চাদাবাজী ও আধিপত্য বিস্তার করে ত্রাস সৃষ্টি করে রাখাই এদের মূল উদ্দেশ্য বলে মনে হয়। 

মিনহাজ বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রামের সমস্ত জনগোষ্ঠীকে এগিয়ে আনার জন্য সাংবিধানিক সমস্ত সুযােগ সুবিধা বিশেষত শিক্ষা, রাজনীতি ও চাকরির ক্ষেত্রে সমতা বিধান জরুরী।

উল্লেখ্য ২০১৫ সালের জানুয়ারিতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে পার্বত্য চট্টগ্রামের রাঙামাটি মেডিকেল কলেজ উদ্বোধন করেন। মেডিকেল কলেজের যাত্রার দিনটিকে স্মরণীয় করে রাখার জন্য পার্বত্য চট্টগ্রামের সর্বস্তরের জনগণ আনন্দ র্যালি বের করে। র্যালিতে বিচ্ছিন্নতাবাদী আঞ্চলিক সশস্ত্র সন্ত্রাসীরা হামলা চালায়। সন্ত্রাসীদের হামলায় ১৭ জন নিরীহ পার্বত্যবাসী আহত হন৷ গুরুতর আহত অবস্থায় মনির হোসেনকে হাসপাতালে নেয়া হলেও ১৭ জানুয়ারি তিনি মৃত্যুর কোলে ঢলে পরেন।


শনিবার, ২৪ আগস্ট, ২০১৯

এফ রহমান আবৃত্তি সংসদ কার্যনির্বাহী সভা সম্পন্ন

এফ রহমান আবৃত্তি সংসদ কার্যনির্বাহী সভা সম্পন্ন



ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় আবৃত্তি সংসদের অন্যতম ইউনিট 'স্যার এ এফ রহমান হল আবৃত্তি সংসদের' প্রথম কার্যনির্বাহী সভা গত ২৩ আগস্ট  ২০১৯; শুক্রবার রাত ১০ঃ০০ টায় অনুষ্ঠিত হয়।  সংসদ সভাপতি পয়েটিক সুমন হোসেনের সভাপতিত্বে সভায় উপস্থিত ছিলেন সাধারণ সম্পাদক মুহি উদ্দীন, সাংগঠনিক সম্পাদক আমানউল্লাহ রিয়াজসহ কমিটির অন্যান্য সদস্যরা।
সংসদ সাধারণ সম্পাদক মুহি উদ্দীন আহমেদের স্বাগত বক্তব্যের মধ্য দিয়ে সভার কার্যক্রম শুরু করা হয়।
সাধারণ সভায় সংগঠনের গতিশীলতা আনয়নের লক্ষ্যে সাপ্তাহিক অধিবেশন ও অনুশীলন কার্যক্রম, সংগঠনের অবকাঠামোগত উন্নয়ন ও আবৃত্তি জগতে সদস্যদের দক্ষতা বৃদ্ধির জন্য বিভিন্ন কর্মসূচি চলমান রাখার অঙ্গিকার ব্যক্ত করেন।
সভায় শোকাবহ আগস্টকে সামনে রেখে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় আবৃত্তি সংসদের সাথে বিভিন্ন অনুষ্ঠান করার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।  সংসদ সভাপতি এতে সকল সদস্যকে সর্বাত্মক সহযোগিতা করার আহ্বান জানান।
সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক ছাড়াও সভায় উপস্থিত ছিলেন সাংগঠনিক সম্পাদক আমানউল্লাহ রিয়াজ, দপ্তর সম্পাদক মিল্টন শেখ, অর্থ সম্পাদক ইমদাদুল আজাদ,  প্রশিক্ষন সম্পাদক সাব্বির আহমেদ, কার্যকরী সদস্য নাসিম হাসান, মোঃ নাহিদুল,  খন্দকার রোকনুজ্জামান ও বিশিষ্ট অতিথি রিয়াজউদ্দিন মুন্নাসহ প্রমুখ।