![]() |
| চার দফা দাবিতে শাহবাগে পলিটেকনিক শিক্ষার্থীদের মানববন্ধ। ছবি: ইমদাদুল আজাদ |
ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারিং শিক্ষাক্রমে সেশনজট নিরসনসহ ৪ দফা দাবিতে ঢাকায় মানববন্ধন করেছে পলিটেকনিক শিক্ষার্থীরা। এছাড়া তাদের একই দাবিতে শিক্ষামন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপি দেয়ার কথা রয়েছে।
সোমবার (১৮ জানুয়ারি) সকালে রাজধানীর শাহবাগ চত্বরে জাতীয় জাদুঘরের সামনে দেশের সরকারি বেসরকারি সব পলিটেকনিকের শিক্ষার্থীদের ব্যানারে এ মানববন্ধনের আয়োজন করা হয়।
কুড়িগ্রাম পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের শিক্ষার্থী শিক্ষার্থী মেহেদি হাসান লিমনের সভাপতিত্বে মানববন্ধনে বক্তব্য দেন পলিটেকনিক শিক্ষার্থী সাকী, ইমাম হোসেন জয়, তানভির হাসান, জাবাল মিয়া প্রমুখ।
আন্দোলনে অংশ নেয়া ন্যাশনাল পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের শিক্ষার্থী জাবাল মিয়া অটোপাশ দেয়ার দাবি জানিয়ে বলেন, কোনোরকম ক্লাস, প্র্যাকটিকাল ছাড়া এখন আমাদের সম্পূর্ণ সিলেবাসে পরীক্ষা নেয়ার কথা বলা হচ্ছে। ক্লাস পরীক্ষা ছাড়া এই মুহূর্তে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করলে আমরা সব বিষয়ে অকৃতকার্য হবো। সেশনজট নিরসনে আমাদের অটোপাশ দিতে হবে।
আন্দোলনকারীদের মুখপাত্র মেহেদী হাসান লিমন বলেন, আমাদের যে ৪ দফা দাবি সেটি বাস্তবায়ন হওয়া পর্যন্ত এ আন্দোলন অব্যাহত থাকবে। দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত দেশের কোনো পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের শিক্ষার্থী পরীক্ষায় বসবে না।
আন্দোলনে অংশ নেয়া ইমাম হোসেন জয় বলেন, অধিকাংশ পলিটেকনিক শিক্ষার্থী মধ্যবিত্ত। শিক্ষা কার্যক্রম বন্ধ থাকলেও অধিকাংশ বেসরকারি ইনস্টিটিউট সেটা বিবেচনায় নিচ্ছে না। তারা অধিকন্তু অতিরিক্ত ফি শিক্ষার্থীদের উপর চাপিয়ে দিচ্ছে।
সম্প্রতি ৮ জানুয়ারি কারিগরি শিক্ষা বোর্ড প্রকাশিত এক নোটিশের মাধ্যমে পলিটেকনিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পরীক্ষা নেয়ার সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে ১৭ জানুয়ারির মধ্যে ফরম ফিলাপ করে ১৯ ফেব্রুয়ারির মধ্যে পরীক্ষার তারিখ নির্ধারণ করা হয়। কোনোরকম ক্লাস, প্র্যাকটিকাল ছাড়া পরীক্ষা গ্রহণের এমন সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আন্দোলনে নেমেছেন শিক্ষার্থীরা। আন্দোলনের অংশ হিসেবে আগামীকাল সারাদেশের পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটগুলার সামনে ছাত্র সমাবেশের ডাক দিয়েছে তারা। দাবি আদায় না হলে আগামী ২১ জানুয়ারি আগারগাঁওস্থ কারিগরি শিক্ষা বোর্ড ঘেরাও করাও ঘোষণা দেন আন্দোলনকারীরা৷
তাদের দাবিসমূহের মধ্যে রয়েছেঃ
১। এক বছরের সেশনজট পূরণ করতে হবে
২। ১ম, ৩য়, ৫ম ও ৭ম পর্বের ক্লাস চালু করে শর্ট সিলেবাসে পরীক্ষা নিতে হবে
৩। সকল অতিরিক্ত ফি এবং প্রাইভেট পলিটেকনিকে সেমিস্টার ফি অর্ধেক করো।
৪। ২০২১ সালের মধ্যে ডুয়েটসহ অন্যান্য সকল প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে আসন সংখ্যা বৃদ্ধি করো

